পরীক্ষা শুরুর আগেই চরম যান্ত্রিক বিপত্তি, কুয়েট ইউজির সময় পিছল এনটিএ – এবেলা
.jpeg.webp)
এবেলা ডেস্কঃ
সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘কুয়েট ইউজি’ (CUET UG) শুরুর ঠিক আগেই এক বড়সড় প্রযুক্তিগত বিভ্রাট সামনে এল। শনিবার দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক ঘণ্টা পিছিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে জাতীয় পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা বা এনটিএ। ৩০ মে, শনিবার দুপুর ৩টে থেকে এই পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে সময় পরিবর্তন করে তা বিকেল ৪টে করা হয়েছে। এর ফলে দেশজুড়ে পরীক্ষা দিতে আসা লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী ও তাঁদের অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র উৎকণ্ঠা তৈরি হয়েছে।
প্রথমার্ধে প্রযুক্তিগত বিপর্যয় ও কারণ
শনিবার দুই পর্বে এই পরীক্ষা আয়োজনের কথা ছিল। তবে প্রথমার্ধের পরীক্ষা চলাকালীনই দেশের একাধিক কেন্দ্রের কম্পিউটারে বড় ধরনের যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সংস্থার পক্ষ থেকে তৎক্ষণাৎ বিষয়টি এনটিএ-কে জানানো হয়। কেন্দ্রীয় সার্ভার বা কারিগরি ব্যবস্থার ত্রুটির কারণেই এই বিভ্রাট ঘটেছে বলে প্রাথমিক অনুমানে মনে করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এনটিএ দ্রুত পদক্ষেপ করে এবং যান্ত্রিক গোলযোগ পুরোপুরি মিটিয়ে ফেলা হয়েছে বলে আশ্বস্ত করে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, পরীক্ষা বিকেল ৪টেয় শুরু হলেও পরীক্ষার্থীদের দুপুর আড়াইটার মধ্যেই কেন্দ্রে রিপোর্ট করতে বলা হয়।
লাগাতার সূচি বিপর্যয় ও সম্ভাব্য প্রভাব
চলতি বছর এই মর্যাদাপূর্ণ প্রবেশিকা পরীক্ষার জন্য দেশজুড়ে রেকর্ড সংখ্যক ১৫,৬৮,৮৬৬ জন প্রার্থী নাম নথিভুক্ত করেছেন। এত বিপুল সংখ্যক পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেখানে জড়িয়ে, সেখানে পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থার এই ধরনের অব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এর আগেও গত ২৮ মে-র পরীক্ষা স্থগিত করে তা আগামী ৬ ও ৭ জুন নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
বারবার পরীক্ষার সূচি বদল এবং শেষ মুহূর্তে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে পরীক্ষার্থীদের ওপর প্রচণ্ড মানসিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এই ধরণের ঘটনা ডিজিটাল পরীক্ষা ব্যবস্থার পরিকাঠামোকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাচ্ছে। সঠিক সময়ে পরীক্ষা শেষ না হলে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের ভরতি প্রক্রিয়াও পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
