১ লাখি মোস্ট ওয়ান্টেড ‘ইজ়রায়েল’ খতম! সাধু মিলন দাস খুনের মূল হোতাকে ওড়াল যোগী রাজ্যের পুলিশ – এবেলা
এবেলা ডেস্কঃ
উন্নাও: সাধু মিলন দাস হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ফুঁসছিল উত্তরপ্রদেশ। অবশেষে ঘটনার মূল চক্রী, মাথার দাম এক লক্ষ টাকা থাকা কুখ্যাত দুষ্কৃতী ইজ়রায়েলকে এনকাউন্টারে খতম করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। রবিবার মাঝরাতে উন্নাওয়ের বাঙ্গামারু থানা এলাকার তাজপুর আন্ডারপাসে পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের (SOG) সঙ্গে এক রুদ্ধশ্বাস গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয় তার।
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ৯ জুন বাঙ্গামারু থানা এলাকার রামনগর গ্রামে একটি নির্মীয়মাণ মন্দির থেকে সাধু মিলন সিং রঘুবংশী ওরফে বাবা মিলন দাসের ক্ষতবিক্ষত রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে অত্যন্ত নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল তাঁকে। এই ঘটনার পর উত্তরপ্রদেশে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে হরদৈ-উন্নাও রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পরিস্থিতি সামাল দিতে মাঠে নামেন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে লাল্লি, ইয়ামিন, শানু সফি এবং ইজ়রায়েল নামে চার দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যের সিনিয়র সুপার জেপি সিং খুনিদের ধরতে একাধিক বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেন।
রবিবার রাতে গোপন সূত্রে পুলিশ খবর পায়, তাজপুর আন্ডারপাসের নিচে লুকিয়ে রয়েছে অভিযুক্তরা। সেই মতো এলাকা ঘিরে ফেলে এসওজি-র টিম। পুলিশকে দেখেই এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে ইজ়রায়েল ও তার দলবল। পালটা জবাব দেয় পুলিশও। দুপক্ষের গুলির লড়াইয়ে খতম হয় প্রধান অভিযুক্ত ইজ়রায়েল। দুষ্কৃতীদের গুলিতে পুলিশের এক কনস্টেবলও জখম হয়েছেন। মৃত ইজ়রায়েলের বাকি তিন সঙ্গীর খোঁজে গোটা এলাকায় চিরুনি তল্লাশি শুরু করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।
