রেড রোডের যোগ দিবসে মোদীর পাতে আবার বাঙালির প্রিয় ঝালমুড়ি! – এবেলা

রেড রোডের যোগ দিবসে মোদীর পাতে আবার বাঙালির প্রিয় ঝালমুড়ি! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের মূল মঞ্চে এবার বিশেষ নজর কাড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ। আগামী ২১ জুন কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত হতে চলেছে এক বিপুল জনসমাবেশ, যেখানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই হাই-প্রোফাইল অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যখন রাজ্য জুড়ে তৎপরতা তুঙ্গে, ঠিক তখনই সর্বত্র জোর চর্চা শুরু হয়েছে যোগ দিবসের বিশেষ ‘আয়ুষ আহার’ নিয়ে। আর এই চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে বাঙালির অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয় মুখরোচক খাবার ‘ঝালমুড়ি’।

সূত্রের খবর, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের দিন প্রধানমন্ত্রীর খাবারের মেনুতে আবারও জায়গা করে নিতে পারে ঝালমুড়ি। লোকসভা নির্বাচনের সময় ঝাড়গ্রামে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ঝালমুড়ির ঠোঙা উঠে আসার পর থেকেই এই সাধারণ খাবারটি এক ধাক্কায় জাতীয় স্তরে তুমুল জনপ্রিয়তা পায়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপির বাংলা জয়ের পর দিল্লির কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের মধ্যেও ঝালমুড়ি খাওয়ার প্রবণতা বেশ বেড়েছে। ফলে, একদা সাধারণ আড্ডার অনুষঙ্গ হিসেবে পরিচিত এই খাবারটি প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরেই এক প্রকার ‘জাতে উঠেছে’ এবং এবার বিশ্ব মঞ্চে নিজের জায়গা পাকা করতে চলেছে।

স্বাস্থ্য সচেতনতায় আয়ুষ আহার

যোগ দিবসের কথা মাথায় রেখে আয়ুষ মন্ত্রক এবার সম্পূর্ণ পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের তালিকা বা ‘আয়ুষ আহার’ প্রস্তুত করেছে। এই মেনুতে ঝালমুড়ির পাশাপাশি স্থান পেয়েছে জোয়ার-বাজরার বিস্কুট, কলা, গুড়-বাদামের চিক্কি এবং ডাবের জলের মতো খাঁটি দেশীয় খাবার ও পানীয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মেনু যেমন সুস্বাদু, তেমনই পুষ্টিগুণে ভরপুর। কম পরিমাণ মুড়িতে ফ্যাট ও ক্যালোরির মাত্রা থাকে নামমাত্র, যা স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য আদর্শ।

বাঙালির খাবারের বিশ্বায়ন ও সম্ভাব্য প্রভাব

খাদ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, যোগ দিবসের মতো একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে ঝালমুড়ি অন্তর্ভুক্তি কেবল একটি রাজনৈতিক বা সামাজিক চমক নয়, এর পেছনে রয়েছে গভীর স্বাস্থ্যগত কারণ। কলা থেকে শরীর পাবে প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম, গুড়-বাদামের চিক্কি জোগাবে প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, আর গ্রীষ্মের গরমে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখবে ডাবের জল। প্রধানমন্ত্রীর এই খাদ্যতালিকা সাধারণ মানুষের মধ্যে দেশীয় ও সহজলভ্য পুষ্টিকর খাবারের প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। একই সাথে, আন্তর্জাতিক স্তরে বাঙালির এই চেনা খাবারের কদর ও পরিচিতি আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *