২০২৯-এই সব খতম! একুশের মঞ্চ থেকে ঋতব্রত শিবিরের বিধায়কদের ‘এক্সপায়ারি ডেট’ বেঁধে দিলেন কল্যাণ – এবেলা
July 21, 2026

এবেলা ডেস্কঃ
একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে চরম আক্রমণাত্মক মেজাজে ধরা দিলেন প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিড়লা তারামণ্ডলের মঞ্চ থেকে বিদ্রোহী ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরকে কড়া ভাষায় নিশানা করেন তিনি। সাফ জানিয়ে দেন, ২০২৯ সালই হল এই দলত্যাগী বিধায়কদের ‘এক্সপায়ারি ডেট’ বা রাজনৈতিক মেয়াদ শেষের সময়। পাশাপাশি তাঁর স্পষ্ট বার্তা—মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাদ দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো অস্তিত্বই কল্পনা করা যায় না।
কল্যাণের বক্তব্যের মূল হাইলাইটস:
- ‘এক্সপায়ারি ডেট’ ২০২৯: ঋতব্রত শিবিরের দলত্যাগীদের তীব্র কটাক্ষ করে কল্যাণ বলেন, “আপনাদের এমএলএ-দের এক্সপায়ারি ডেট ২০২৯।” তাঁর দাবি, মোদী-শাহের বিধায়ক কেনার রাজনীতি বেশিদিন টিকবে না। ‘ওয়ান নেশন, ওয়ান ভোট’ বিল পাস হলে ২০২৯ সালের লোকসভা ভোটের সঙ্গেই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন হবে, আর তখনই এই দলত্যাগীদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব পাকাপাকিভাবে মুছে যাবে।
- নেতা নয়, কর্মীরাই শেষ কথা: দলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে বলতে গিয়ে সাংসদের স্পষ্ট বার্তা, “নেতা আবার কী? কর্মীরাই তো সব।” তাঁর মতে, কর্মীরাই আগামী দিনে দলের নেতা ঠিক করবেন এবং দল কেবল তাঁদেরই স্বীকৃতি দেবে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, গত আড়াই মাসে বিজেপি ও শুভেন্দু অধিকারীর টিআরপি অনেকটাই তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।
- সিপিএম জমানার স্মৃতি: কর্মীদের উন্মাদনার প্রশংসা করে অতীতে চম্পাইতলার মিটিংয়ে মমতার ওপর হওয়া সিপিএমের হামলার প্রসঙ্গ টানেন কল্যাণ। সোমবার রাতে একুশের মঞ্চ ভাঙচুরের ঘটনাকে সেই পুরোনো সিপিএমি জমানার দমনপীড়নের রাজনীতির সঙ্গেই তুলনা করেন তিনি।
‘বেইমান ও গদ্দার’-রা দল ছাড়ায় তৃণমূলের কোনো ক্ষতি হয়নি বলে এদিন স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন এই প্রবীণ সাংসদ। দলের কর্মীদের কাছে যে মমতাই শেষ কথা, সেই বার্তাই এদিন তাঁর গলায় জোরালোভাবে শোনা যায়।
