আদালতের একের পর এক ধাক্কায় মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিশানায় এবার বিচারক – এবেলা

আদালতের একের পর এক ধাক্কায় মেজাজ হারালেন ট্রাম্প, মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিশানায় এবার বিচারক – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

আইনি লড়াইয়ে ফের বড়সড় ধাক্কা খেলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবার প্রয়াত প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির নামাঙ্কিত শিল্পকলা কেন্দ্রের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করল ফেডেরাল আদালত। আদালতের এই রায়ের পর তীব্র ক্ষোভ ও অভিমান প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে তিনি দাবি করেছেন, আমেরিকার ইতিহাসে আর কোনও প্রেসিডেন্টকে তাঁর মতো এতটা অন্যায়ের শিকার হতে হয়নি।

আইনি জটিলতা ও ট্রাম্পের ক্ষোভ

কেনেডি সেন্টার ফর পারফর্মিং আর্টসের নাম বদলে নিজের নামে করার জন্য ট্রাম্প প্রশাসন যে পদক্ষেপ করেছিল, তা আইনি পথে হয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ফেডেরাল আদালত। এই রায়ের পরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তিনি সরাসরি বিচারক কুপারকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন, বিচারকের নিজেরই লজ্জিত হওয়া উচিত। ট্রাম্পের অভিযোগ, পারফর্মিং আর্টস প্রতিষ্ঠানটিকে রক্ষা করার চেয়ে বিচারক তাঁর বিরোধিতা করাকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। অবশ্য আদালতের রায়ের পর ট্রাম্প জানিয়েছেন, এই প্রতিষ্ঠানের পূর্ণ দায়িত্ব ফের কংগ্রেসের কাছে হস্তান্তর করার লক্ষ্যে তাঁর প্রশাসন কাজ শুরু করেছে এবং এর জন্য বাণিজ্য বিভাগকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিমানের নেপথ্যে কারণ ও সম্ভাব্য প্রভাব

নিজের সিদ্ধান্তের সপক্ষে সাফাই দিয়ে ট্রাম্পের দাবি, বিগত বছরগুলিতে অবহেলা, রক্ষণাবেক্ষণের অভাব এবং আর্থিক ক্ষতির কারণে কেনেডি সেন্টারটি লক্ষ লক্ষ ডলার লোকসান গুনেছে। প্রতিষ্ঠানটির নান্দনিক ও কাঠামোগত সংস্কারের জন্যই তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি বড় ধাক্কা। সাম্প্রতিক সময়ে শুল্ক নীতি, অভিবাসন সংক্রান্ত পদক্ষেপ এবং ফেডারেল কর্মীবাহিনীতে পরিবর্তনের মতো একাধিক বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপে ট্রাম্পের বিভিন্ন কর্মসূচি সীমিত হয়ে পড়েছে। একের পর এক আইনি ধাক্কার কারণে হোয়াইট হাউসের নীতি নির্ধারণ ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *