ডিএমকে-র সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে কংগ্রেস, কড়া ভাষায় আক্রমণ প্রধানমন্ত্রী মোদীর

ডিএমকে-র সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে কংগ্রেস, কড়া ভাষায় আক্রমণ প্রধানমন্ত্রী মোদীর

তামিলনাড়ুর রাজনীতির সাম্প্রতিক প্রেক্ষাপটে কংগ্রেসের অবস্থান নিয়ে সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে লড়াই করলেও ফলপ্রকাশের পরপরই ডিএমকে-র সঙ্গ ছেড়ে বিজয়-এর দল টিভিকে (TVK)-র সঙ্গে কংগ্রেসের হাত মেলানোকে কেন্দ্র করে কড়া সমালোচনা করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর মতে, কংগ্রেসের এই দ্বিচারিতা তাদের সুবিধাবাদী রাজনীতিরই প্রতিফলন।

দশকের পুরনো সম্পর্ক ও বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ

প্রধানমন্ত্রী মোদী মনে করিয়ে দেন যে, ২০১৪ সালের আগে টানা দশ বছর কেন্দ্রে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার মূলত ডিএমকে-র জোরালো সমর্থনেই টিকে ছিল। তিনি বলেন, “যে ডিএমকে নিরন্তর কংগ্রেসের ভালোর জন্য কাজ করে গিয়েছে এবং দুর্দিনেও পাশে থেকেছে, রাজনীতির হাওয়া বদলাতেই কংগ্রেস তাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করল।” তাঁর দাবি, ক্ষমতার লোভে কংগ্রেস তাদের দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সঙ্গীকে ত্যাগ করতে দ্বিধা করেনি।

সুবিধাবাদী রাজনীতির অবসান চায় দেশ

কংগ্রেসকে তুলোধনা করে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন যে, এই ধরণের আচরণ রাজনৈতিক নৈতিকতার পরিপন্থী। ডিএমকে-র হাত ছেড়ে টিভিকে-র সঙ্গে হাত মেলানো আসলে কংগ্রেসের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য—যেখানে আদর্শের চেয়ে ক্ষমতার সমীকরণই বড় হয়ে দাঁড়ায়। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দেন যে, এই ধরণের নীতিহীন জোট দেশ বা রাজ্যের মানুষের কোনো উপকারে আসে না।

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ

কংগ্রেসের এই শিবির বদল তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক সমীকরণকে যেমন ওলটপালট করে দিয়েছে, তেমনই বিজেপিকেও আক্রমণের নতুন অস্ত্র তুলে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর এই আক্রমণাত্মক মেজাজ প্রমাণ করে যে, কংগ্রেসের এই ‘বিশ্বাসঘাতকতা’-র ইস্যুকে হাতিয়ার করে বিজেপি এখন ডিএমকে এবং সাধারণ মানুষের সহানুভূতি আদায়ের কৌশল নিচ্ছে। মূলত কংগ্রেসের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সুবিধাবাদকেই এদিনের বক্তব্যে জনসমক্ষে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *