দিদি-ভাইপো কি অনুপ্রবেশ রুখতে পারবেন? নাম না করে মমতাকে বিঁধলেন শাহ

পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন নির্বাচনে অনুপ্রবেশ ইস্যুকে হাতিয়ার করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল নেতৃত্বকে তীব্র আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সম্প্রতি একটি জনসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন তোলেন যে, বর্তমান রাজ্য সরকার কি আদৌ বাংলাকে অনুপ্রবেশমুক্ত করতে ইচ্ছুক? শাহের দাবি, রাজনৈতিক স্বার্থেই রাজ্যের সীমান্ত এলাকাগুলো উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যার ফলে অনুপ্রবেশ সমস্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
সীমানা নিয়ন্ত্রণ ও রাজনৈতিক সংঘাত
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে বলেন, যাঁরা অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিয়ে রাজ্যে ঢুকিয়েছেন, তাঁদের পক্ষে এই সমস্যা সমাধান করা আসাম্ভব। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান শাসকদলের উদাসীনতার কারণেই বাংলার জনবিন্যাস ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি ভোটারদের কাছে বিজেপিকে জয়ী করার আহ্বান জানান।
বিজেপির ৪৫ দিনের প্রতিশ্রুতি
নির্বাচনী জনসভা থেকে অমিত শাহ একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করেছেন। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যে বাংলার সমস্ত সীমান্ত সিল করে দেওয়া হবে। তাঁর স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর ৫ মে বিজেপি সরকার গঠন করবে এবং তার পরেই অনুপ্রবেশকারীদের এ দেশ ছাড়তে হবে। অনুপ্রবেশকারীদের উদ্দেশ্যে তাঁর সরাসরি বার্তা, এখন থেকেই ওপারে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়া উচিত।
এক ঝলকে
ভোটের আগে অনুপ্রবেশ সমস্যাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করে জনমত গঠনের চেষ্টা।
অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি আক্রমণ অমিত শাহের।
বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাত্র ৪৫ দিনের মধ্যে বাংলার সীমানা সম্পূর্ণ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি।
৫ মে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের দাবি এবং অনুপ্রবেশকারীদের দেশ ছাড়ার হুঁশিয়ারি।
