ভোটের ডিউটিতে বাস দিয়েও মিলছে না অগ্রিম অর্থ, ক্ষুব্ধ মালিকপক্ষের হুঁশিয়ারি – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও কর্মীদের যাতায়াতের প্রয়োজনে প্রতিবারের মতো এবারও বিপুল সংখ্যক বেসরকারি বাস অধিগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড়সড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বকেয়া এবং অগ্রিম অর্থের সংস্থান। ভোট পরিচালনার কাজে বাস দিতে বাসমালিকেরা রাজি থাকলেও, প্রয়োজনীয় অগ্রিম টাকা হাতে না আসায় তারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই পরিবহণ দফতর এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এ বিষয়ে একাধিকবার সতর্ক করা হলেও কোনো সমাধান মেলেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি
পরিবহণ শিল্প সংশ্লিষ্টদের দাবি, জ্বালানির আকাশছোঁয়া দাম এবং রক্ষণাবেক্ষণের বিপুল খরচের মাঝে সরকারি অগ্রিম ছাড়া বাস চালানো কার্যত আসাম্ভব। মালিকপক্ষের সংগঠনগুলো সাফ জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের এই বিষয়ে দ্রুত হস্তক্ষেপ করতে হবে। পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে ভোটের দিনগুলোতে রাস্তায় সাধারণ যাত্রী পরিষেবায় যেমন ঘাটতি দেখা দিতে পারে, তেমনই নির্বাচনী কাজেও বাসের জোগান ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাসমালিকদের এই অসন্তোষের ফলে নির্বাচনের সময় পরিবহণ পরিকাঠামো বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সময়মতো অগ্রিম টাকা না পেলে বহু মালিক তাদের গাড়ি ডিউটিতে পাঠাতে অমত প্রকাশ করেছেন। এর ফলে ভোটকর্মী ও নিরাপত্তা বাহিনীর যাতায়াত ব্যাহত হতে পারে, যা পরোক্ষভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে মন্থর করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন দ্রুত অর্থ বরাদ্দ করে এই সমস্যার সমাধান করে কি না।
এক ঝলকে
- বিধানসভা নির্বাচনে বেসরকারি বাস অধিগ্রহণে অগ্রিম টাকা না পাওয়ায় মালিকপক্ষের তীব্র ক্ষোভ।
- ফেব্রুয়ারি মাস থেকে একাধিকবার চিঠি দিলেও প্রশাসন কোনো সদর্থক পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ।
- রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও পরিবহণ দফতরের দ্রুত হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বাসমালিকেরা।
- সমাধান না হলে নির্বাচনী কাজ এবং সাধারণ পরিবহণ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা।
