মধ্যপ্রাচ্যে চরম অস্থিরতা সত্ত্বেও ভারতে কমবেশি হবে না ইউরিয়া, মজুত ভাণ্ডারে স্বস্তির খবর – এবেলা

মধ্যপ্রাচ্যে চরম অস্থিরতা সত্ত্বেও ভারতে কমবেশি হবে না ইউরিয়া, মজুত ভাণ্ডারে স্বস্তির খবর – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

পশ্চিম এশিয়ায় চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও ভারতে ইউরিয়া বা অন্যান্য সারের সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, অভ্যন্তরীণ উৎপাদন এবং আমদানির সঠিক ভারসাম্যের কারণে দেশের কৃষকদের সারের অভাব হবে না। চলতি বছরের মার্চ ও এপ্রিল মাসে দেশে ইউরিয়া উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৩৭.৪৯ লক্ষ টন, যা গত বছরের একই সময়ের উৎপাদনের প্রায় সমান।

নিশ্চিত সরবরাহ ও আমদানির পরিকল্পনা

দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে এবং খরিফ মরসুমের প্রস্তুতি হিসেবে সরকার ইতিমধ্যেই ৩৭ লক্ষ টন ইউরিয়া আমদানি নিশ্চিত করেছে। বিশ্বব্যাপী দরপত্রের মাধ্যমে এই আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মার্চ ও এপ্রিল মাসে মোট সার উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৬২.৩৭ লক্ষ টন, যার পাশাপাশি ১৫.৩৯ লক্ষ টন সার বিদেশ থেকে আনা হয়েছে। ফলে বাজারে সারের জোগান চাহিদার তুলনায় বেশি রয়েছে।

মজুত ভাণ্ডার ও স্থিতিশীল দাম

২০২৬ সালের খরিফ মরসুমের জন্য প্রয়োজনীয় ৩৯০.৪৫ লক্ষ টন সারের বিপরীতে বর্তমানে ১৯৩.৩৮ লক্ষ টন সার মজুত রয়েছে, যা মোট চাহিদাক প্রায় ৫০ শতাংশ। উন্নত পরিকল্পনা এবং দক্ষ লজিস্টিক ব্যবস্থার কারণে রাজ্যগুলোতে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। এর পাশাপাশি সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক স্তরে অস্থিরতা থাকলেও সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্যে (এমআরপি) কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।

এক ঝলকে

  • পশ্চিম এশিয়া সংকট সত্ত্বেও ভারতে ইউরিয়া ও অন্যান্য সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
  • মার্চ-এপ্রিল মাসে দেশে প্রায় ৩৭.৪৯ লক্ষ টন ইউরিয়া উৎপাদিত হয়েছে।
  • খরিফ মরসুমের জন্য প্রায় ৩৭ লক্ষ টন ইউরিয়া আমদানির প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হয়েছে।
  • আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা থাকলেও সারের এমআরপি বা খুচরা দাম অপরিবর্তিত থাকছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *