মেদ ঝরাতে দামি সুপারফুড নয়, হর্ষবর্ধন রানের ফিটনেস মন্ত্র লুকিয়ে রান্নাঘরের মশলাতেই – এবেলা

মেদ ঝরাতে দামি সুপারফুড নয়, হর্ষবর্ধন রানের ফিটনেস মন্ত্র লুকিয়ে রান্নাঘরের মশলাতেই – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

সুঠাম পেশিবহুল এবং মেদহীন শরীরের জন্য বলিপাড়ায় আলাদা পরিচিতি রয়েছে অভিনেতা হর্ষবর্ধন রানের। ফিটনেসের ক্ষেত্রে কোনো রকম শর্টকাট বা কৃত্রিম প্রোটিন পাউডারে বিশ্বাসী নন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিনেতা তাঁর মেদহীন টানটান শরীরের এক গোপন রহস্য ফাঁস করেছেন। হর্ষবর্ধন জানিয়েছেন, কোনো নামী-দামী সুপারফুড বা কৃত্রিম ফ্যাট বারনার নয়, মেদ ঝরানোর কাজে তাঁর অন্যতম প্রধান ভরসা হলো রান্নাঘরের একটি অতি পরিচিত মশলা— দারুচিনি।

দারুচিনির জাদুকরী গুণ ও প্রভাব

বাঙালি রান্নায় সাধারণত গরম মশলা হিসেবে দারুচিনির ব্যবহার বেশি হলেও পুষ্টিবিদরা হর্ষবর্ধন রানের এই ফিটনেস মন্ত্রে সম্পূর্ণ সায় দিচ্ছেন। দারুচিনি মূলত রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে, যা শরীরের অতিরিক্ত মেদ জমতে বাধা দেয়। এটি মানুষের মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা বা ‘সুগার ক্রেভিং’ অনেকটাই কমিয়ে দেয়। হঠাৎ মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা হলে মুখে এক টুকরো দারুচিনি রাখলে এর ঝাঁঝালো মিষ্টি রস সেই ইচ্ছা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া দারুচিনিতে রয়েছে প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক এবং প্রদাহনাশক উপাদান, যা শরীরের অভ্যন্তরীণ ইনফ্লেমেশন কমায় এবং মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

ডায়েটে দারুচিনি রাখার সহজ উপায়

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দারুচিনি অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত সহজ। গ্রিন টি, হার্বাল চা কিংবা সাধারণ দুধ চা ফোটানোর সময় এক টুকরো গোটা দারুচিনি বা সামান্য গুঁড়ো মিশিয়ে নেওয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন পুষ্টিকর স্মুদি, টক দই, কিংবা কেটে রাখা আপেল ও কলার ওপর দারুচিনির গুঁড়ো ছড়িয়ে খাওয়া যেতে পারে। রোজকার ডাল, পোলাও বা সবজির তরকারিতেও এই মশলা ব্যবহার করা সম্ভব। তবে অভিনেতা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, শুধু দারুচিনি খেলেই সুঠাম শরীর পাওয়া যাবে না। এর সুফল পেতে হলে নিয়মিত সঠিক শরীরচর্চা এবং সারাদিনের সুষম খাদ্যাভ্যাসের দিকেও সমান নজর দেওয়া জরুরি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *