অর্থের জট কাটছে বাংলায়, শুভেন্দু সরকারের পাশে দাঁড়িয়ে সব মন্ত্রককে মোদির বড় নির্দেশ – এবেলা
/indian-express-bangla/media/media_files/2026/05/12/suvendu-2026-05-12-11-51-30.jpg?ssl=1)
এবেলা ডেস্কঃ
দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট এবং কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের অধ্যায় পেরিয়ে অবশেষে পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়াতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দপ্তর (পিএমও) থেকে সরাসরি দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় মন্ত্রককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, টাকার অভাবে পশ্চিমবঙ্গের কোনও উন্নয়নমূলক কাজ যেন আটকে না থাকে। এই নির্দেশের পরেই দিল্লির বিভিন্ন মন্ত্রকের অন্দরে তৎপরতা তুঙ্গে উঠেছে। বিপর্যয় মোকাবিলা তহবিল, পরিকাঠামো উন্নয়ন, আবাসন, গ্রামীণ সড়ক, স্বাস্থ্য ও কৃষিক্ষেত্রে বাংলার আটকে থাকা বকেয়া অর্থ দ্রুত মেটানোর রাস্তা খোঁজা শুরু হয়েছে।
উন্নয়নের নয়া কৌশল ও জট মুক্তির কারণ
কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের জন্য সরাসরি কোনও ‘বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ’ ঘোষণা না করে চলতি প্রকল্প ও বিশেষ বরাদ্দের কাঠামোর মধ্য দিয়েই রাজ্যকে বাড়তি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে মোদি সরকার। অতীতে বিহার বা অন্ধ্রপ্রদেশের ক্ষেত্রে যেভাবে কেন্দ্রীয় অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল, বাংলার ক্ষেত্রেও সেই একই কৌশল নেওয়া হচ্ছে। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলার মানুষের কাছে উন্নয়নের যে সমস্ত প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নের বিষয়ে তিনি নিজেই ব্যক্তিগত ভাবে নজর রাখছেন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর জনগণের আকাশছোঁয়া প্রত্যাশা পূরণ করতে এবং প্রশাসনিক স্থিতি বজায় রাখতেই কেন্দ্রের এই দ্রুত সক্রিয়তা।
ভবিষ্যৎ প্রভাব ও রাজনৈতিক গুরুত্ব
বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রের এই আর্থিক সহযোগিতার পিছনে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক তাৎপর্য। আগামী জুন মাসেই রাজ্যে নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ হতে চলেছে। এই বাজেটে বড় কোনও চমক দিতে এবং উন্নয়নমূলক কাজের গতি দৃশ্যমান করতে রাজ্যের হাতে পর্যাপ্ত অর্থের জোগান থাকা অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা গ্রামীণ আবাসন বা সড়ক পরিকাঠামোর কাজ দ্রুত শুরু হলে তা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রশাসনিক সাফল্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে। দীর্ঘ সংঘাতের পর কেন্দ্র-রাজ্যের এই নতুন সমীকরণ বাংলার পরিকাঠামো ক্ষেত্রে এক বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
