আমেরিকার দর্পচূর্ণ! ইরানের হানায় মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

আমেরিকার দর্পচূর্ণ! ইরানের হানায় মধ্যপ্রাচ্যে একের পর এক মার্কিন ঘাঁটি ধ্বংস, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং আমেরিকা-ইসরায়েল দ্বন্দ্বের জেরে মার্কিন সামরিক অবকাঠামো নজিরবিহীন ক্ষতির মুখে পড়েছে। সাম্প্রতিক এক গোয়েন্দা রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে যে, ৮টি দেশে ছড়িয়ে থাকা অন্তত ১৬টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে। সিএনএন-এর তদন্ত অনুযায়ী, এই হামলার তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে কয়েকটি ঘাঁটি বর্তমানে সম্পূর্ণ ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে পুরো ঘাঁটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়ার উপক্রম হয়েছে।

ব্যয়বহুল সরঞ্জামে সরাসরি আঘাত

ইরানি বাহিনী পরিকল্পিতভাবে আমেরিকার অত্যন্ত দামী এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাডার সিস্টেম, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, কুয়েতের আলী আল সালেম এবং কাতারের আল উদীদ এয়ারবেসের রানওয়েগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। এছাড়া উত্তর ইরাকের একটি ঘাঁটিতে মার্কিন গোলাবারুদের বিশাল মজুদ ধ্বংস করা হয়েছে। সমর বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মূল্যবান সরঞ্জামগুলো দ্রুত প্রতিস্থাপন করা আমেরিকার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

অর্থনৈতিক ধাক্কা ও দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব

পেন্টাগনের তথ্যমতে, এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত মার্কিন করদাতাদের প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। শুধুমাত্র বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম ফ্লিট সদর দপ্তর সংস্কার করতেই অন্তত ২০০ মিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে। এই বিপুল আর্থিক ক্ষতি এবং সামরিক সক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের দীর্ঘকালীন প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এক ঝলকে

কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু ঘাঁটি বর্তমানে ব্যবহার অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের ৮টি দেশে থাকা ১৬টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অত্যন্ত ব্যয়বহুল রাডার সিস্টেম এবং বিমান বিধ্বংসী সরঞ্জামগুলো ছিল হামলার মূল লক্ষ্য।

সংঘাতের ফলে মার্কিন কোষাগার থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *