নারী শক্তির জয়ধ্বনিতে কাঁপছে রাজনীতি, মোদীর এই বার্তা কি নতুন লড়াইয়ের সূচনা!

মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে কঠোর বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংসদের ভেতরে সংখ্যাতত্ত্বের লড়াইয়ে সাময়িক বাধা এলেও নারী শক্তির ক্ষমতায়ন কেউ রুখতে পারবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন। সরকার ২০২৭ সালের জনগণনা শেষ হওয়ার পর সীমানা পুনর্নির্ধারণ বা ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এই আইন কার্যকর করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এদিকে, লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে নারীদের ৩৩ শতাংশ অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করতে সরকার আইনি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে অভিযোগ করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণকে রাজনৈতিক প্রচারণায় পরিণত করেছেন। খাড়গের দাবি, ভাষণে মহিলাদের চেয়ে ৫৯ বার কংগ্রেসের নাম বেশি উল্লেখ করা হয়েছে এবং নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর থাকাকালীন এ ধরনের ভাষণ গণতন্ত্রের অবমাননা। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে বিরোধীরাই পরিকল্পিতভাবে এই ঐতিহাসিক বিলের পথে বাধা সৃষ্টি করছে।
বর্তমানে এই বিল কার্যকরের প্রধান আইনি ও প্রযুক্তিগত বাধা হলো আসন পুনর্নির্ধারণ প্রক্রিয়া। ২০২৭ সালের জনগণনা শেষ হওয়ার পরই মূলত এই সীমানা পুনর্নির্ধারণের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সরকার চাইলে সীমানা পুনর্নির্ধারণের শর্ত শিথিল করে বর্তমান ৫৪৩টি আসনের ভিত্তিতেই সংরক্ষণ কার্যকর করার পথে হাঁটতে পারে। এই সাংবিধানিক ও প্রযুক্তিগত দিকগুলো নিয়ে সরকারি পর্যায়ে আলোচনা চলছে, যা আগামী নির্বাচনগুলোতে বড় প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
