পুরসভার রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতি! তথ্য গোপনের অভিযোগে এবার RTI করলেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
বারাসাত: বারাসাত পুরসভার কাজকর্ম এবং স্বচ্ছতা নিয়ে এবার বড়সড় প্রশ্ন তুললেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূল পরিচালিত এই পুরসভায় একাধিক বিষয়ে তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে শেষমেশ ‘তথ্যের অধিকার আইন’ বা আরটিআই (RTI)-এর দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
বিধায়ক হওয়ার পর সম্প্রতি পর পর দু’বার বারাসাত পুরসভায় যান শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়। সেখানে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প, কর্মী নিয়োগ, রাস্তা নির্মাণ থেকে শুরু করে বিল্ডিং প্ল্যানের অনুমোদন সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র নিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। কিন্তু বিধায়কের অভিযোগ, কোনো দপ্তর থেকেই তিনি সঠিক ও স্পষ্ট তথ্য পাননি। এক আধিকারিক অন্য আধিকারিকের দিকে দায় ঠেলে দিয়েছেন। এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ফাইল ঘুরলেও মেলেনি কোনো সদুত্তর।
আধিকারিকদের এই দায় এড়ানোর প্রবণতাতেই সন্দেহ বাড়ে বিজেপি বিধায়কের। তিনি সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, “এটা শুধু প্রশাসনিক ত্রুটি নয়, এর আড়ালে বড় কোনো অনিয়ম লুকিয়ে রয়েছে। পুরসভার রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতির গন্ধ পাচ্ছি। সত্য সামনে আনতেই আমি আরটিআই করেছি। নথি হাতে এলেই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
গত ১৫ বছর ধরে বারাসাত পুরসভা তৃণমূলের দখলে। বিধায়কের এই বিস্ফোরক অভিযোগের জবাবে পুরসভার চেয়ারম্যান সুনীল মুখোপাধ্যায় অবশ্য বেশ নরম সুরেই জানিয়েছেন, “উনি আরটিআই করেছেন, ভালো কথা। রিপোর্ট কী আসে সেটা আমাদের দেখতে হবে, তারপর আমরা ওঁকে উত্তর দেব।” এখন দেখার, আরটিআই-এর রিপোর্টে বারাসাত পুরসভার কোন হাঁড়ি হাটে ভাঙতে চলেছে!
