ভ্রূণহত্যার চেয়েও বড় অপরাধ বিরোধীদের, ক্ষমা চাইলেন মোদী!

লোকসভায় ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল বা নারী সংরক্ষণ বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করেছেন। প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার অভাবে বিলটি আটকে যাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী একে ‘মহিলাদের অধিকারের ভ্রূণহত্যা’ বলে অভিহিত করেছেন এবং দেশের মা-বোন ও কন্যাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। ৫২৮ জন সাংসদের উপস্থিতিতে বিলের পক্ষে ২৯৮টি এবং বিপক্ষে ২৩০টি ভোট পড়ায় সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬৬ শতাংশ সমর্থন অর্জন করা সম্ভব হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি ও ডিএমকে-কে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে তাদের ‘নারীবিরোধী’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুর শাসকদলকে নিশানা করার পেছনে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপট রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, বিরোধীদের অভিযোগ, সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ছাড়া এবং জনগণনা ও আসন পুনর্বিন্যাসের সাথে এই বিলকে যুক্ত করার মাধ্যমে সরকার মূলত রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করতে চেয়েছিল। এই বিতর্কের জেরে দিল্লির রাজপথেও পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিজেপির মহিলা সাংসদরা রাহুল গান্ধীর বাসভবনের সামনে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
