শিউরে ওঠা ঘটনা! জোর করে মদ খাইয়ে নাবালিকাকে নারকীয় অত্যাচার, ধৃত মহিলা সহ ৩ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
কর্নাটকের বেঙ্গালুরুর উপকণ্ঠে দেবনাহাল্লিতে এক শিউরে ওঠা ঘটনা। পরিচিত এক মহিলার পাতা ফাঁদে পা দিয়ে সারারাত ধরে পাশবিক নির্যাতনের শিকার হল মাত্র ১৪ বছরের এক কিশোরী। তাকে জোর করে মদ খাইয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই এক মহিলা সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।
খবরের মূল হাইলাইটস:
- কীভাবে ফাঁদ: মন্দিরে যাওয়ার নাম করে নাবালিকাকে বাড়ি থেকে ডেকে আনে পরিচিত রেণুকা নামের এক মহিলা।
- নারকীয় অত্যাচার: অটোতে জোর করে মদ খাওয়ানো হয়। এরপর একটি নির্মীয়মাণ ভবনে নিয়ে গিয়ে সারারাত ধরে চলে গণধর্ষণ ও শারীরিক অত্যাচার।
- গ্রেফতার: ঘটনায় মূল অভিযুক্ত নবীন, ভেঙ্কটরামানা এবং রেণুকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
যেভাবে ঘটল এই রোমহর্ষক ঘটনা: পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৭ জুলাই রেণুকা মন্দিরে যাওয়ার অছিলায় ওই কিশোরীকে বাড়ি থেকে বের করে। এরপর তাকে তুলে দেওয়া হয় নবীন ও ভেঙ্কটরামানা নামে দুই যুবকের হাতে। অভিযোগ, তারা কিশোরীকে একটি অটোতে করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার সময় জোর করে মদ্যপান করায়।
ধরা পড়ার ভয়ে মতবদল: তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রথমে অভিযুক্তদের পরিকল্পনা ছিল কিশোরীকে বাড়ির কাছাকাছি নামিয়ে দেওয়ার। অটো করে তারা বাড়ির কাছে পৌঁছেও গিয়েছিল। কিশোরী বাড়ি ফেরার জন্য কান্নাকাটি শুরু করলে অভিযুক্তরা তাকে ভয় দেখায়। তারা বোঝায়, এই মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরলে বাবার কাছে ধরা পড়ে যাবে এবং চরম বকা খেতে হবে। এই অজুহাত দেখিয়ে তাকে ফের অন্যত্র নিয়ে যায় তারা।
সারারাত ধরে পাশবিক নির্যাতন: এরপর কিশোরীকে একটি নির্মীয়মাণ ভবনে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। সেখানেই সারারাত ধরে তাকে গণধর্ষণ করা হয়। পাশবিক লালসা মেটানোর পাশাপাশি নাবালিকাকে বেধড়ক মারধরও করা হয় বলে অভিযোগ। পরদিন সকালে কিশোরীকে বাড়ির কাছে ফেলে দিয়ে চম্পট দেয় তারা। যাওয়ার আগে হুমকি দেওয়া হয়, এই ঘটনার কথা কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলা হবে।
থানায় অভিযোগ ও গ্রেফতার: সারারাত মেয়েকে না পেয়ে চরম উৎকণ্ঠায় ছিল পরিবার। পরদিন সকালে বিধ্বস্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে মায়ের কাছে কান্নায় ভেঙে পড়ে ওই কিশোরী এবং পুরো ঘটনার কথা খুলে বলে। এরপর পরিবারের তরফ থেকে দেবনাহাল্লি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে তদন্তে নেমে তিন অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করেছে।
