সোনা কি ১.৬৮ লক্ষ টাকায় পৌঁছাবে? ২০২৭ সালে বিনিয়োগ করুন এভাবে!

এবেলা ডেস্কঃ
আগামী ৬-১২ মাসে দেড় লক্ষ টাকা ছাড়াতে পারে সোনার দাম, পূর্বাভাস খনিজ সম্পদ মন্ত্রকের
নিজস্ব প্রতিবেদক: খনিজ সম্পদ মন্ত্রকের সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিক বুলিয়ন রিপোর্টের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে দেশীয় বাজারে সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে ১.৬০ লক্ষ থেকে ১.৬৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। তবে স্বল্পমেয়াদে এই দাম ১.৪৮ লক্ষ টাকার আশেপাশে স্থিতিশীল থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
মূল্যবৃদ্ধির কারণ:
সোনার দামের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছেন বিশ্লেষকরা। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ার (আরবিআই) ধারাবাহিক সোনা কেনা। বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও অর্থনৈতিক চাপের মুখে বিনিয়োগকারীরা এখনও সোনাকে ‘নিরাপদ আমানত’ (সেফ-হেভেন) হিসেবেই বিবেচনা করছেন। এছাড়া মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার নীতি, বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি এবং ডলারের মূল্যের অস্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বাড়াতে অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে।
১০ বছরে দাম বেড়েছে পাঁচ গুণ:
গত এক দশকের পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় দেখা যায়, সোনার দরে অভূতপূর্ব বৃদ্ধি ঘটেছে। ২০১৬ সালের দীপাবলির সময় দেশীয় বাজারে ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল প্রায় ৩০,০০০ টাকা। সেই তুলনায় ২০২৬ সালে এসে তা ১.৫ লক্ষ টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। অর্থাৎ, গত ১০ বছরে সোনার দাম বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুণ।
দীপাবলির আগে বিনিয়োগ কি লাভজনক?
বাজারের অতীত প্রবণতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সাধারণত দীপাবলির পরবর্তী ৩০ দিনের তুলনায় উৎসবের আগের ৩০ দিনে সোনা কেনায় তুলনামূলক ভালো রিটার্ন পাওয়ার সুযোগ থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, প্রতি বছরই দীপাবলির আগে দাম বাড়বে—এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। উৎসবের মরসুমে বাজারে সোনার চাহিদা, আমদানি শুল্ক এবং দেশীয় বাজারে প্রিমিয়ামের হারের ওপর ভিত্তি করেই চূড়ান্ত দাম নির্ধারিত হয়।
(বিশেষ দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনটি কেবল সংগৃহীত তথ্য ও আন্তর্জাতিক পূর্বাভাসের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। এটি বিনিয়োগের কোনো সরাসরি পরামর্শ নয়। যে কোনো ক্ষেত্রে বিনিয়োগের আগে নিজস্ব ঝুঁকি ও বিচার-বুদ্ধি প্রয়োগ করা বাঞ্ছনীয়।)
