৩টে বাজতেই শোরগোল! এগজ়িট পোলের ইঙ্গিতে কি বাংলায় এবার পালাবদল? – এবেলা

৩টে বাজতেই শোরগোল! এগজ়িট পোলের ইঙ্গিতে কি বাংলায় এবার পালাবদল? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের শেষ দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হতেই রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছে তীব্র স্নায়ুর লড়াই। নবান্ন কার দখলে যাবে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে থাকলেও ফলাফল প্রকাশের আগে ‘পোল ডায়েরি’-এর বুথ ফেরত সমীক্ষা বা এগজ়িট পোল রাজ্যে বড়সড় পরিবর্তনের আভাস দিচ্ছে। এই পরিসংখ্যান সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন করে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

সমীক্ষার পরিসংখ্যানে চমক

পোল ডায়েরির পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলায় এবার শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আসন সংখ্যার নিরিখে বিজেপির পাল্লা অনেকটাই ভারী বলে দাবি করা হয়েছে। সমীক্ষা বলছে, বিজেপি ১৪২ থেকে ১৭১টি আসন পেয়ে ম্যাজিক ফিগার স্পর্শ করতে পারে। অন্যদিকে, হ্যাটট্রিক পরবর্তী ক্ষমতা ধরে রাখার লড়াইয়ে তৃণমূল কংগ্রেস ৯৯ থেকে ১২৭টি আসনেই থমকে যেতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। বাম-কংগ্রেস ও অন্যান্যদের ঝুলিতে ৫ থেকে ৯টি আসন যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দুর্গে ফাটল ও প্রেক্ষাপট

বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণবঙ্গের যে অঞ্চলগুলো তৃণমূলের শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল, সেখানেও এবার ফাটল ধরার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ঝোড়ো প্রচার এবং স্থানীয় বিভিন্ন ইস্যু শাসক দলকে কিছুটা ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে। এই প্রবণতা বজায় থাকলে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তবে রাজনীতির কারবারিরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, এগজ়িট পোল চূড়ান্ত ফলাফল নয় এবং অতীতে অনেক ক্ষেত্রেই ইভিএম-এর প্রকৃত হিসেব এই পূর্বাভাসকে ভুল প্রমাণ করেছে।

আগামী ৪ঠা মে ভোটগণনার পরই স্পষ্ট হবে বাংলার মসনদে কে বসছেন। পোল ডায়েরির এই চাঞ্চল্যকর পরিসংখ্যান যদি বাস্তবে প্রতিফলিত হয়, তবে তা বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে। বর্তমানে সমস্ত শিবিরই এখন গণনার দিনের চূড়ান্ত ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।

এক ঝলকে

  • পোল ডায়েরির এগজ়িট পোলে বাংলায় বড়সড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
  • বিজেপি ১৪২ থেকে ১৭১টি আসন পেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের দৌড়ে এগিয়ে থাকতে পারে।
  • শাসক দল তৃণমূল ৯৯ থেকে ১২৭টি আসনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
  • গ্রামীণ এলাকায় স্থানীয় ইস্যু ও কেন্দ্রীয় প্রচারের প্রভাবে তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটিতে ফাটল ধরার আশঙ্কা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *