৪ মে-র ফলে বিজেপিই ক্ষমতায় আসছে, ফলতায় কারচুপির অভিযোগে সরব দিলীপ ঘোষ

রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার প্রাক্কালে শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে তিনি দাবি করেছেন, আগামীকাল অর্থাৎ ৪ মে নির্বাচনী ফলাফল স্পষ্ট করে দেবে যে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বিজেপিকেই সরকার গড়ার জন্য মনস্থির করে নিয়েছে। অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচনী অনিয়ম নিয়ে সরব হয়ে তিনি তৃণমূলের ‘ভোট লুট’-এর রাজনীতিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন।
ফলতায় গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হওয়ার অভিযোগ
দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ফলতায় গত ২৯ এপ্রিল ভোটের দিন সাধারণ মানুষকে স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দেওয়া হয়নি। তাঁর দাবি, নির্বাচনের আগের রাতে ভোটারদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ভোটার কার্ড কেড়ে নেওয়া হয়েছিল এবং বুথে বুথে গুন্ডাবাহিনী মোতায়েন করে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। নজিরবিহীন এই অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ খতিয়ে দেখে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ফলতার সমস্ত ২৮৫টি বুথেই ভোট বাতিল ঘোষণা করেছে। আগামী ২১ মে সেখানে পুনরায় ভোটগ্রহণ হবে এবং ফল ঘোষণা করা হবে ২৪ মে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ও জয়ের প্রত্যাশা
ভোট গণনায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সবুজ সংকেতকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। দিলীপ ঘোষের মতে, কেন্দ্রীয় কর্মীদের নজরদারিতে গণনা হলে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং তৃণমূলের কারচুপির সুযোগ থাকবে না। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে বলেন, তৃণমূল নেত্রী নিজের কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে ‘২০০ পার’-এর অবাস্তব কথা বলছেন, যার কোনো ভিত্তি নেই। ৪ মে-র ফলাফলে তৃণমূলের পরাজয় নিশ্চিত এবং বিজেপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসবে বলেই তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন। এই হাইভোল্টেজ ফলাফলের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা রাজ্য।
