৯০০ দিনের অপেক্ষায় ইতি, কার্যকর হলো ঐতিহাসিক মহিলা সংরক্ষণ আইন!

৯০০ দিনের অপেক্ষায় ইতি, কার্যকর হলো ঐতিহাসিক মহিলা সংরক্ষণ আইন!

নারী সংরক্ষণ আইন কার্যকর ও আসন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক

লোকসভা ও রাজ্যসভায় পাস হওয়ার প্রায় ৯৪০ দিন পর ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৩ সালের ‘১০৬তম সংবিধান সংশোধনী আইন’ বা নারী সংরক্ষণ আইন কার্যকর করার আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। একই সময়ে কেন্দ্র লোকসভার আসন সংখ্যা ৮৫০-এ উন্নীত করার লক্ষ্যে তিনটি নতুন বিল পেশ করেছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পদক্ষেপের পেছনে কেবল নারী সংরক্ষণ নয়, বরং বৃহত্তর রাজনৈতিক কৌশল কাজ করছে। সংসদের ‘রুল ৬৬’-এর জটিলতা এড়াতে এবং ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল ব্যর্থ হওয়ার আইনি ঝুঁকি থেকে বাঁচতে সরকার পূর্বের আইনটিকে কার্যকর করে একটি সুরক্ষাবলয় তৈরির চেষ্টা করছে বলে মনে করা হচ্ছে।

নতুন এই বিলগুলোতে আসন পুনর্বিন্যাসের ভিত্তি হিসেবে নতুন জনগণনাকে ব্যবহারের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা নিয়ে বিরোধীদের সঙ্গে সরকারের তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, নারী সংরক্ষণের আড়ালে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে হিন্দি বলয়ের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চলছে, যা দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক প্রভাবকে সংকুচিত করতে পারে। নারী সংরক্ষণ ও আসন পুনর্গঠনের এই কৌশল ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে প্রভাবিত করবে কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা ও বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *