অপারেশন সিন্দুর রুখে দিল পাকিস্তানের পরমাণু ব্ল্যাকমেইল ও সন্ত্রাসবাদের দাপট – এবেলা

অপারেশন সিন্দুর রুখে দিল পাকিস্তানের পরমাণু ব্ল্যাকমেইল ও সন্ত্রাসবাদের দাপট – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

কাশ্মীরের পহেলগামে পর্যটকদের ওপর বর্বরোচিত হামলার জবাবে ভারত যে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, তার বর্ষপূর্তিতে দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ২০২৫ সালের এপ্রিলে টিআরএফ জঙ্গিরা ধর্মীয় পরিচয়ে সাধারণ নাগরিকদের হত্যার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেন। কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত করার মতো কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে পাকিস্তান সমর্থিত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারত যুদ্ধংদেহী মনোভাব স্পষ্ট করে দেয়।

সাঁড়াশি অভিযান ও সন্ত্রাসবাদের মেরুদণ্ড ভাঙা

গত বছরের ৭ মে ভারতীয় স্থল, নৌ ও বিমানবাহিনী সম্মিলিতভাবে ‘অপারেশন সিন্দুর’ শুরু করে। পাকিস্তান ও অধিকৃত কাশ্মীরে লস্কর-ই-তৈয়বা ও জইশ-ই-মহম্মদের মতো নিষিদ্ধ সংগঠনের ৯টি প্রধান ঘাঁটিতে নিখুঁত নিশানায় আক্রমণ চালানো হয়। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, নিজস্ব ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত এই অভিযানে শতাধিক সন্ত্রাসীকে নির্মূল করা সম্ভব হয়েছিল। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ভারত বিশ্বের কাছে বার্তা দেয় যে, পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ‘নিউক্লিয়ার ব্ল্যাকমেইল’ ভারত আর সহ্য করবে না।

সীমান্তে উত্তেজনা ও ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা

অপারেশনের প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তান এলওসি বরাবর কয়েকশ ড্রোন ও ভারী গোলাবর্ষণ শুরু করলে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটে। আমেরিকার পক্ষ থেকে সম্ভাব্য পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সতর্কবার্তা থাকলেও ভারত পিছু হটেনি। পাকিস্তানের ছোড়া ড্রোনগুলোর বেশিরভাগই ভারতের এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ধ্বংস করে দেয়। পালটা জবাবে লাহোর সীমান্তে শত্রুপক্ষের এইচকিউ-৯ মিসাইল সিস্টেম গুঁড়িয়ে দিয়ে ভারতীয় বাহিনী নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে। চার দিনের তীব্র লড়াইয়ের পর ১০ মে দুই দেশের সামরিক কর্মকর্তাদের সমঝোতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।

এক ঝলকে

  • পহেলগাম হামলার বদলা নিতে ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ পরিচালনা করে ১০০-এর বেশি জঙ্গিকে খতম করে।
  • পাকিস্তান ৩০০-৪০০ ড্রোন হামলা চালালেও ভারতের এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা নস্যাৎ করে দেয়।
  • চার দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ১০ মে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষরিত হয়।
  • এই অভিযানের মাধ্যমে ভারত প্রতিবেশী দেশের পারমাণবিক হুমকির ভয়কে জয় করে এক নতুন সামরিক কৌশল প্রদর্শন করেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *