অবশেষে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে ডি কে শিবকুমার, দীর্ঘ টানাপড়েনের অবসান! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
দীর্ঘ রাজনৈতিক জল্পনা ও দলীয় নেতৃত্বের নানামুখী আলোচনার পর অবশেষে কর্নাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে চূড়ান্ত হলো ডি কে শিবকুমারের নাম। শনিবার বিধান সৌধে কংগ্রেস পরিষদীয় দলের (সিএলপি) হাই-প্রোফাইল বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে তাঁকে নতুন নেতা নির্বাচিত করা হয়েছে। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছেন ‘ডিকে’। সব ঠিক থাকলে আগামী ৩ জুন কর্নাটকের ১৮তম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন তিনি।
ছাত্র রাজনীতির মঞ্চ থেকে ক্ষমতার শীর্ষে ডিকে
বিধান সৌধে আয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল আনুষ্ঠানিকভাবে শিবকুমারের নাম ঘোষণা করেন। ছাত্র সংগঠন এনএসইউআই থেকে শুরু করে যুব কংগ্রেস এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এই পর্যায়ে পৌঁছানোয় শিবকুমারের রাজনৈতিক নিষ্ঠা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেছে দল। শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, দলের প্রতি তাঁর অটল আনুগত্যই তাঁকে আজ এই সাফল্যের শিখরে বসিয়েছে। এদিকে, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার অভিজ্ঞতা ও অবদানকে খাটো না করে, দল তাঁকে জাতীয় স্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে।
ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত ও নতুন সরকার গঠনের পথে
শনিবারের এই বৈঠকে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে নতুন নেতার নাম নির্বাচন করা হয়। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া নিজেই পরিষদীয় দলের সামনে প্রস্তাব রাখেন যে, নতুন নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটির ওপর ছেড়ে দেওয়া হোক। বিধায়কদের সর্বসম্মত সমর্থনের পর সিদ্দারামাইয়া নিজেই ডি কে শিবকুমারের নাম প্রস্তাব করেন, যা রাজ্য রাজনীতিতে নেতৃত্বের মসৃণ হস্তান্তরের বার্তাই দেয়। দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে এই নেতৃত্ব পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় সিদ্দারামাইয়া ও শিবকুমারের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধও লক্ষ্য করা গেছে। খুব শীঘ্রই রাজ্যপাল থাওয়ারচাঁদ গেহলটের কাছে নতুন সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক দাবি পেশ করবেন শিবকুমার। এই রদবদলের ফলে কর্নাটকের প্রশাসনিক কাঠামোতে নতুন দিশা এবং দলের সাংগঠনিক সংহতি বজায় থাকবে বলে প্রত্যাশা করছে কংগ্রেস হাইকমান্ড।
