ইরানের সঙ্গে বড় ডিল, হঠাৎ কেন ইসলামাবাদ যাচ্ছেন ট্রাম্প!

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমিয়ে সমঝোতার পথে হাঁটছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। তেহরান তাদের কাছে থাকা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের একাংশ হস্তান্তর করতে সম্মত হওয়ায় আলোচনার টেবিলে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অগ্রগতিকে বড় সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং আলোচনা সফল হলে শান্তি চুক্তির অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ওয়াশিংটনের দাবি অনুযায়ী, আলোচনার সফল সমাপ্তি ঘটলে ইরানের ওপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও দীর্ঘমেয়াদী পারমাণবিক কার্যক্রমের একটি নতুন রূপরেখা তৈরি করা সম্ভব হবে।
চার সপ্তাহের তীব্র সামরিক ও কূটনৈতিক তৎপরতার পর তেহরানের এমন নমনীয়তাকে বিশ্বমঞ্চে ইতিবাচক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে আগামী সপ্তাহে বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে চলায় উভয় পক্ষই এখন চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে মরিয়া হয়ে কাজ করছে। ট্রাম্প এই শান্তি প্রক্রিয়ার স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলেও স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, আলোচনা ভেস্তে গেলে পুনরায় সামরিক সংঘাত শুরু হতে পারে। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার এই সংঘাত নিরসন কেবল আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
