নারী সংরক্ষণ বিলকে রাষ্ট্রবিরোধী বলছেন রাহুল?

নারী সংরক্ষণ বিল কার্যকর করার শর্ত হিসেবে নির্বাচনী কেন্দ্র পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়াকে যুক্ত করায় কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা ও রায়বেরেলির সাংসদ রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, ২০২৩ সালে পাস হওয়া নারী সংরক্ষণ বিলকে ডিলিমিটেশনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে কেবল ক্ষমতাসীন বিজেপিকে রাজনৈতিক সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে। রাহুল গান্ধীর দাবি, এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের নির্বাচনী মানচিত্র পরিবর্তন করে দক্ষিণ ভারত, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ছোট রাজ্যগুলোর সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব কমিয়ে দেওয়া। আসাম ও জম্মু-কাশ্মীরের উদাহরণ টেনে তিনি একে ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ উদ্যোগ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বিরোধীদের নিয়ে তা প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছেন।
রাহুল গান্ধীর এই মন্তব্যের পরই সংসদ ভবন উত্তাল হয়ে ওঠে এবং সরকারি দলের সাংসদরা এই অভিযোগের তীব্র বিরোধিতা করেন। শাসকদলের পক্ষ থেকে এই দাবির ঘোর আপত্তি জানানো হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নারী সংরক্ষণ বিলের কার্যকরীকরণ ও ডিলিমিটেশনের প্রভাব নিয়ে এই সংঘাত আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ তৈরি করতে পারে। বিল কার্যকর করার দাবি এবং নির্বাচনী পুনর্বিন্যাস নিয়ে উদ্ভূত এই উদ্বেগ বর্তমানে সংসদীয় রাজনীতিতে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।
