ইতিহাসে প্রথমবার স্থল-আকাশ-সমুদ্রে পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন ভারতের! থরথর কাঁপছে পাকিস্তান – এবেলা

ইতিহাসে প্রথমবার স্থল-আকাশ-সমুদ্রে পরমাণু অস্ত্র মোতায়েন ভারতের! থরথর কাঁপছে পাকিস্তান – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

নয়াদিল্লি: দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক ভারসাম্যে এক ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন বদল! স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SIPRI)-এর সাম্প্রতিকতম রিপোর্ট আসতেই ঘুম উড়েছে পাকিস্তানের। ইতিহাসে এই প্রথমবার পরমাণু অস্ত্র কেবল মজুত করে রাখার বদলে সরাসরি যুদ্ধের জন্য কার্যকর ও মোতায়েন করে দিল ভারত। এই খবর ছড়ো পড়তেই আন্তর্জাতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে, আর পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক ভারতের এই রণপ্রস্তুতিকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলে বর্ণনা করেছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতের ঝুলিতে বর্তমানে ১৯০টি পরমাণু ওয়ারহেড রয়েছে, যার মধ্যে ১২টি পরমাণু অস্ত্রকে সম্পূর্ণ কার্যকর অবস্থায় মোতায়েন (Deployed) করা হয়েছে। ভারতের এই ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ বা জল, স্থল ও আকাশ—তিন পথেই পরমাণু হামলার সক্ষমতা দেখে রীতিমতো কাঁপছে ইসলামাবাদ।

ভারতের ‘ক্যানিস্টারাইজেশন’ প্রযুক্তিতেই আসল ভয়:

পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতের অত্যাধুনিক ‘ক্যানিস্টারাইজেশন’ প্রযুক্তি। এই পদ্ধতিতে পরমাণু ওয়ারহেডগুলি আগে থেকেই ক্ষেপণাস্ত্রের ভেতরে সিল করা থাকে। ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে অত্যন্ত কম সময়ে, চোখের পলকে এই মিসাইল নিখুঁতভাবে নিক্ষেপ করা সম্ভব। এছাড়া সাবমেরিনের মাধ্যমে সমুদ্রপথে পরমাণু শক্তির বিস্তার এবং দূরপাল্লার আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (ICBM) তৈরি করায় ভারতের যুদ্ধ প্রস্তুতি (Operational Readiness) বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে।

বিশ্বের দরবারে কান্নাকাটি শুরু ইসলামাবাদের:

ভারতের এই রুদ্ররূপ দেখে শঙ্কিত পাকিস্তান এখন বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলোর কাছে দরবার করতে শুরু করেছে। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রক আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আকুতি জানিয়েছে, যাতে ভারতকে উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি এবং আধুনিক অস্ত্র সরবরাহ করা অবিলম্বে বন্ধ করা হয়। ইসলামাবাদের দাবি, ভারতের এই শক্তি দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক স্থিতিশীলতা সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেবে।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, অর্থনৈতিকভাবে দেউলিয়া পাকিস্তান ভারতের বিপুল প্রতিরক্ষা বাজেটের সঙ্গে কোনোভাবেই পেরে উঠছে না। আর সেই চরম হতাশা ও অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা ঢাকতেই বিশ্বমঞ্চে এমন কান্নাকাটি শুরু করেছে তারা। তবে বিশ্ব জানে, ভারত সবসময়ই তার ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ (আগে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার না করার নীতি) মেনে চলে এবং এই মোতায়েন কেবলই দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার এক অদম্য প্রয়াস।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *