ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু অধিকারী

ভোট গণনার শুরু থেকেই পশ্চিমবঙ্গের হাইভোল্টেজ কেন্দ্রগুলোতে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। বিশেষ করে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ এখন চরমে। গণনার প্রাথমিক ট্রেন্ড আসার পর থেকেই দুই শিবিরের পাল্টাপাল্টি দাবিতে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। নন্দীগ্রামে প্রথম দফার গণনায় লিড পাওয়ার পর এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরাজয় নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দুর জয়ের সমীকরণ
নন্দীগ্রামে ভোট গণনার শুরুটা শুভেন্দুর জন্য ইতিবাচক হয়েছে। প্রাথমিক রাউন্ডের ফলাফল বিশ্লেষণ করে তিনি দাবি করেন, প্রথম রাউন্ডেই তিনি প্রায় ৩০০০ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছেন। নির্দিষ্ট কিছু বুথ এলাকায় নিজের শক্তির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, অন্তত আটটি হিন্দু প্রধান বুথে তার বড় অঙ্কের লিড রয়েছে। শুভেন্দুর মতে, গণনার প্রথম কয়েক রাউন্ডে লড়াই চললেও সময়ের সাথে সাথে এই ব্যবধান আরও বাড়বে।
দশম রাউন্ডের পর বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত
শুভেন্দু অধিকারীর দাবি অনুযায়ী, গণনার নবম ও দশম রাউন্ড হবে এই নির্বাচনের টার্নিং পয়েন্ট। তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে জানিয়েছেন, “৯-১০ রাউন্ড থেকে দেখবেন আমি অনেকটা এগিয়ে যাব। ১০ রাউন্ড অতিক্রান্ত হওয়ার পর আমাকে হারানো কার্যত আসাম্ভব হয়ে পড়বে।” তার এই মন্তব্যে স্পষ্ট যে, পরবর্তী রাউন্ডগুলোতে নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল থেকে বড় ব্যবধানে জয়ের আশা করছে বিজেপি শিবির।
প্রভাব ও রাজনৈতিক গুরুত্ব
এই ফলাফলের ওপর পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ অনেকাংশে নির্ভরশীল। নন্দীগ্রামে যদি শুভেন্দু অধিকারী তার লিড ধরে রাখতে পারেন, তবে তা তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। অন্যদিকে, ভবানীপুরেও সমানে সমান লড়াই চলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। শুভেন্দুর এই দাবির ফলে দলীয় কর্মীদের মধ্যে উদ্দীপনা বাড়লেও, চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য আরও কয়েক রাউন্ড অপেক্ষা করতে হবে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে। উত্তরোত্তর এই লিড বজায় থাকলে রাজ্যের ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে এটি একটি নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।
