রাফাল বা এফ-৩৫ নয়, ভারতের হাতে এবার মরণঘাতী ‘ড্রোন বাহিনী’! ১৯ হাজার কোটির চুক্তিতে কাঁপবে শত্রুদেশ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
শত্রুশিবিরের রাতের ঘুম কাড়তে আধুনিক ড্রোনের বিশাল বহর গড়ছে ভারত
প্রথাগত যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি এবার নজরবিহীন এক বিশেষ ‘ড্রোন বাহিনী’ গড়ার পথে ভারত। ইজরায়েল-ইরাক ও ইউক্রেন যুদ্ধের রণকৌশল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারত সরকার নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকার এক বিশাল প্রকল্প হাতে নিয়েছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত এই ড্রোনগুলো কেবল নজরদারি নয়, বরং শত্রুপক্ষের গোপন আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতেও সক্ষম হবে।
ভারত কেন ড্রোনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে
সীমান্তের ওপারে পাকিস্তান কিংবা উত্তরের চিনা সীমান্ত—শত্রুর যেকোনো অবস্থান এখন এই ড্রোনগুলোর নিশানায় থাকবে। বর্তমান সময়ের জটিল ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রথাগত অস্ত্রশস্ত্রের বাইরে গিয়ে নির্ভুল নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম ড্রোনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। জ্যামার বা উন্নত সুরক্ষা কবচ থাকলেও তা ভেদ করে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এমন প্রযুক্তির ড্রোনকেই ভারতীয় সেনাবাহিনীতে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।
স্বদেশি প্রযুক্তিতে প্রতিরক্ষা আত্মনির্ভরতা
এই প্রকল্পের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’। সরকারের পক্ষ থেকে দেশি প্রযুক্তিতে নির্মিত ড্রোন কেনার ওপরই জোর দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে দেশে শতাধিক কো ম্পা নি প্রতিরক্ষা খাতের জন্য ড্রোন ও এর যন্ত্রাংশ তৈরিতে কাজ করছে। ড্রোনের ক্রমবর্ধমান চাহিদার ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা শিল্পে এক নতুন বিপ্লব তৈরি হচ্ছে। আগামী ১৮ থেকে ২৪ মাসের মধ্যে এই ড্রোনগুলো সরবরাহ শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগ কেবল দেশের সীমান্ত রক্ষায় নতুন মাত্রা যোগ করবে না, বরং প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের ক্ষেত্রে ভারতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তুলবে।
