কালোবাজারি রুখতে কেন্দ্র সরকারের বড় পদক্ষেপ: চিনি মজুতের সর্বোচ্চ সীমা নেমে এলো ২০০০ কুইন্টাল – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
নয়াদিল্লি: দেশে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও চিনির কৃত্রিম সংকট বা কালোবাজারি রুখতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করল কেন্দ্র সরকার। চিনি ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে চিনি মজুত রাখার সর্বোচ্চ সীমা এক ধাক্কায় অর্ধেক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে, যা অসাধু ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত মুনাফা লোটার প্রবণতায় বড়সড় লাগাম পরাবে।
স্টক নিয়মে পরিবর্তন:
- নতুন সীমা: উপভোক্তা বিষয় ও খাদ্য মন্ত্রকের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, চিনি ডিলারদের মজুত সীমা ৪,০০০ কুইন্টাল থেকে কমিয়ে ২,০০০ কুইন্টাল করা হয়েছে।
- সময়সীমা: এই নিয়ম আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়ে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
- জরুরি শর্ত: কোনো ব্যবসায়ী গুদামে চিনি আনার পর ৩০ দিনের বেশি সময় তা আটকে রাখতে পারবেন না; নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তা বাজারে সরবরাহ করতে হবে।
কলকাতা ও পূর্বাঞ্চলের জন্য বিশেষ নির্দেশিকা: সমগ্র দেশের জন্য এই সীমা কমানো হলেও কলকাতার ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় বজায় রাখা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র থেকে আসা চিনি মূলত কলকাতার মাধ্যমেই পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে পৌঁছায়। সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে কলকাতার আশপাশের মেট্রোপলিটন এলাকায় আগের মতোই সর্বোচ্চ ৪,০০০ কুইন্টাল চিনি মজুত রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
বাজার ও দামে প্রভাব: কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত ও কড়া নজরদারির ফলে ইতিমধ্যেই পাইকারি বা মিল-গেটে চিনির দাম প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে, যার সুফল খুচরা বাজারেও পড়তে শুরু করেছে। অনিয়ম রুখতে ডিলারদের জন্য খাদ্য বিভাগের অনলাইন পোর্টালে প্রতিদিনের স্টকের সঠিক হিসেব আপডেট করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
