মরিচমন্থন! নয়ডার শ্রমিক-ক্ষোভেও কি তবে ‘মিরচি’-যোগ?

প্রেম ও বিরহের আবেগ প্রকাশের অনুষঙ্গ হিসেবে মরিচ বা ঝাললঙ্কা দীর্ঘকাল ধরে বিভিন্ন শিল্পকর্মে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশেষত সঞ্জয় লীলা বনশালির চলচ্চিত্র ‘হম দিল দে চুকে সনম’-এর মতো প্রখ্যাত সিনেমায় মানভঞ্জনের উপায় কিংবা হৃদয়ের অব্যক্ত যন্ত্রণা প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে লঙ্কার তীব্র ঝালকে রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। বাস্তবেও অনেকে মনের ভেতরের জ্বালা মেটানোর অনুঘটক হিসেবে লঙ্কার তীব্রতাকে বেছে নেন।
খাদ্য হিসেবে লঙ্কার ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন, যার আদি উৎস প্রায় ৬ হাজার বছর আগে মেক্সিকোতে। খাদ্যের স্বাদ বাড়ানোর বাইরেও লঙ্কা আত্মরক্ষার কাজে ঐতিহাসিকভাবে কার্যকর। আদি যুগে উপজাতিরা হাতি তাড়াতে যেমন লঙ্কার ব্যবহার করত, তেমনি আধুনিক যুগে নারীরা আত্মরক্ষার প্রয়োজনে পেপার স্প্রে হিসেবে এর ব্যবহার করছেন। এছাড়া রাজনৈতিক বিক্ষোভ দমনে ‘তিখি মিরচি’ বা লঙ্কার গুঁড়োর ব্যবহার মশলা হিসেবে এর পরিচিতিকে এক ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে গেছে। যদিও লঙ্কা ভিটামিন সি-এর একটি সমৃদ্ধ উৎস, তবে এর ঝাল নিয়ন্ত্রণে জলের চেয়ে দুধ অধিক কার্যকর বলে বিবেচিত হয়।
