নির্বাচন কমিশনের ওপর ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট, পোলিং ডিউটি থেকে বাদ পড়লেন অধ্যাপকরা!
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2024/04/High-Court.jpg?ssl=1)
২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্যের সহকারী অধ্যাপকদের বাধ্যতামূলকভাবে পোলিং বা প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। শুক্রবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের একক বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে, কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও যৌক্তিক কারণ ছাড়া অধ্যাপকদের এভাবে নির্বাচনের কাজে বাধ্য করা যায় না। আদালত স্পষ্ট করেছে, আইনের দোহাই দিয়ে অধ্যাপকদের মতো বিশেষ পেশার মানুষের ওপর এভাবে দায়িত্ব চাপানো তাঁদের পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে।
তবে আদালত জানিয়েছে, যে সমস্ত অধ্যাপক স্বেচ্ছায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করতে আগ্রহী এবং যাঁদের প্রশিক্ষণ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, তাঁরা চাইলে কাজটি করতে পারবেন। এই রায়ের ফলে রাজ্যের হাজারো সহকারী অধ্যাপক স্বস্তি পেলেও, নির্বাচনের আগে নতুন সংকটে পড়েছে নির্বাচন কমিশন। এখন ভোটের সুষ্ঠু পরিচালনার স্বার্থে জেলা প্রশাসনকে দ্রুত বিকল্প পোলিং স্টাফের ব্যবস্থা করতে হবে, যা কমিশনের সামনে এক বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। অধ্যাপকদের দাবি ছিল, প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকার ফলে নিয়মিত পঠনপাঠন ও গবেষণার ক্ষতি হয়, ফলে আদালতের এই রায় তাঁদের একাডেমিক ব্যস্ততা বজায় রাখতে সহায়ক হবে।
